
বেলাল হোসেন ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের কচুবাড়ী গ্রামে প্রকাশ্যে দখলদারিত্ব ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। রবিবার সকালে হঠাৎ করে প্রায় আটটি বসতবাড়ীর একমাত্র চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।
অভিযোগ রয়েছে, কচুবাড়ী এলাকার বাসিন্দা জামাল হোসেন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বাঁশ ও বেড়া দিয়ে রাস্তাটি ঘিরে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেন। ফলে নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ অন্তত ছয়টি পরিবার কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত একটি সরু গ্রামীণ পথ হঠাৎ করেই বাঁশ ও বেড়া দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে। বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় পরিবারগুলো এখন ঘরবন্দি অবস্থায় দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। এতে করে অসুস্থ রোগী হাসপাতালে নেওয়া, শিশুদের স্কুলে যাওয়া এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজেও চরম সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“আমরা বছরের পর বছর এই রাস্তা ব্যবহার করে আসছি। কোনো নোটিশ বা বৈধ প্রক্রিয়া ছাড়াই হঠাৎ করে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া সম্পূর্ণ অন্যায় ও অমানবিক।
তারা আরও জানান, অভিযুক্ত মোঃ জামাল দাবি করছেন—“এটি তার নিজস্ব জমি, আগে চলাচল করতে দিলেও এখন আর দেবেন না।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ জামালের বক্তব্য সরাসরি পাওয়া না গেলেও স্থানীয়দের দাবি, ব্যক্তিগত বিরোধ ও প্রভাব খাটানোর মানসিকতা থেকেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সচেতন মহল আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে এবং যে কোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে ভুক্তভোগীরা রাস্তাটি পুনরায় উন্মুক্ত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম বলেন, জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা হটাৎ করে বে আইনি ভাবে বন্ধ করা যাবে না।
অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।