1. live@dailysatkhirdiganta.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.dailysatkhirdiganta.com : দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত :
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন

চ্যানেল এ ওয়ান ও সাত নদী পত্রিকার সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,

 

সম্প্রতি ‘চ্যানেল এ ওয়ান’ এবং ‘সাত নদী’ পত্রিকায় গত ২৬ ও ২৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে ভারতের শমশের নগর বিএসএফ ক্যাম্পের মাদক ও চোরাই পণ্য আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পাঁচজন সম্মানীয় ব্যক্তির নাম জড়িয়ে যে সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। ভুক্তভোগী ও স্থানীয় জনসধারণের দাবি, কোনো প্রকার তথ্য-প্রমাণ ও অডিও-ভিডিও ছাড়াই সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বহীনভাবে এই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, সংবাদের উল্লেখিত ব্যক্তিরা এলাকায় অত্যন্ত সাদামাটা জীবনযাপন করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাদক ও অস্ত্রবিরোধী সচেতনতামূলক কাজ করে আসছেন। ইতিপূর্বে মাদক কারবারি ও চোরাচালানিরা (ব্ল্যাকার) নিজেদের স্বার্থে ব্যাঘাত ঘটায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলহাজতে পাঠিয়েছিল। তবে জেল থেকে বেরিয়ে আসার পর তারা বর্তমানে স্বাভাবিক ও সম্মানীয় জীবন অতিবাহিত করছেন।

 

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, উক্ত গণমাধ্যম দুটির সাংবাদিকরা সরজমিনে তদন্ত না করে এবং অভিযুক্তদের সাথে কথা না বলে এই মনগড়া প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। এমনকি নিউজের আগে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগীদের হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়েছিল। দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করায় ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তির প্ররোচনায় এই কাল্পনিক নিউজ প্রচার করা হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে ভিনদেশের চোরাকারবারিদের সাথে যে যোগসাজশের দাবি করা হয়েছে, তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। কোনো তথ্য প্রমাণ ছাড়াই ভুক্তভোগীদের নাম সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে।

 

সাংবাদিকতার নীতি অমান্য করে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য না নিয়ে এবং স্থানীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রের মতামত উপেক্ষা করে নিউজটি সাজানো হয়েছে।

 

পুলিশ প্রশাসনের বরাত দিয়ে যে বক্তব্য ছাপা হয়েছে, তা মূলত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সাজানো হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন।

 

ভুক্তভোগীরা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, “যদি আমাদের বিরুদ্ধে মাদক বা অস্ত্র চোরাচালানের বিন্দুমাত্র অডিও-ভিডিও বা বাস্তব প্রমাণ থাকে, তবে প্রশাসন আমাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিক। কিন্তু সাংবাদিকদের টাকা না দেওয়ায় সম্মানহানি করার জন্য এই ধরনের হলুদ সাংবাদিকতা মেনে নেওয়া যায় না।”

তারা এই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন নিউজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একইসাথে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত