
বাবলু রহমান বাবু, সাতক্ষীরা জেলা ক্রাইম রিপোর্টার।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নে নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতার ওপর দায় চাপানোর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির একটি অংশের বিরুদ্ধে। ঈশ্বরীপুর ২ নং ওয়ার্ডের নির্বাচনে পরাজয়ের পর সৃষ্ট এই অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে ধুমঘাট এলাকায় সাধারণ জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে বিএনপির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক দুর্বলতা নিয়ে বিভক্তি চলছিল। সম্প্রতি নির্বাচনে পরাজয়ের পর সেই কোন্দল প্রকট আকার ধারণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় বিএনপির একটি অংশ নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় লিপ্ত হয়। এখন নিজেদের এই সাংগঠনিক ব্যর্থতা আড়াল করতে ধুমঘাট ২ নং ওয়ার্ডের জামায়াত আমির মাওলানা আব্দুল হান্নান-কে জড়িয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
এই ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে স্থানীয় নেতা বাবলুর রহমান তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ভাঙচুরের ঘটনার সাথে জামায়াতের কোনো নেতাকর্মীর দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই।
ভিত্তিহীন অভিযোগ মাওলানা আব্দুল হান্নানের ওপর যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
আদর্শিক অবস্থান এ ধরনের বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুর জামায়াতের নীতি ও আদর্শের সম্পূর্ণ বিরোধী।
গণতান্ত্রিক অপচর্চা নিজেদের পরাজয় ও অভ্যন্তরীণ বিবাদ ঢাকতে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার এই সংস্কৃতি সুস্থ রাজনীতির অন্তরায়
৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে যখন সম্প্রীতির রাজনীতি প্রত্যাশিত, তখন ঈশ্বরীপুরে এ ধরণের ‘দায় চাপানোর পুরোনো খেলা’ সাধারণ মানুষকে ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। স্থানীয় সচেতন জনগণের মতে, সত্য গোপন করে গুজব ছড়িয়ে ফায়দা লোটার দিন শেষ হয়ে গেছে।
বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা বন্ধ না করলে সত্য প্রতিষ্ঠায় জামায়াত আইনানুগ ও সাংগঠনিক পথে হাঁটবে। জনগণ আজ সচেতন এবং তারা সঠিক ঘটনা জানে।