সিলেট জেলা প্রতিনিধি
সিলেটের শাহপরান (রহঃ) থানাধীন আটগাঁও কেওয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত মোঃ আব্দুস শহিদের পুত্র আবুল কালাম (৪৩) পারিবারিক ভাবে একই জেলার জৈন্তাপুর থানাধীন চিকনাগুল,পশ্চিম ঠাকুরের মাটি গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিন এর মেয়ে রুনা বেগমের সহিত বিগত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ইং তারিখ বিবাহ হয় |
বিয়ের কয়েক মাস পর আবুল কালাম বাহরাইন প্রবাসে চলে যান, আবুল কালাম বাহরাইন প্রবাসে যাওয়ার পর থেকে রুনা বেগম তার আপন খালাত ভাই পাশ্ববর্তী উপজেলার গোয়াইন ঘাট থানাধীন কলম ছড়ার পার গ্রামের মুহিবুর রহমানের পুত্র আরিফ মাহমুদ সজিব মিয়ার সহিত পরকীয়া সম্পর্ক গড়েউঠে |
স্বামী আবুল কালাম প্রবাসে থাকার সুবাদে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে কারণে -অকারণে বার-বার রুনা বেগম পিত্রালে যান |
শাশুড়ীর সন্দেহ হলে অকারণে পিত্রালয়ে যেতে বারণ করেন, শাশুড়ী কথা অপেক্ষা না করে পিত্রালয়ে যাওয়ার জন্য প্রবাসী স্বামী আবুল কালাম এর সহিত বিগত ২৪ এপ্রিল ২০২৫ ইং তারিখ রাতে ফোন আলাপে কথা কাটাকাটি করে একপর্যায়ে রুনা বেগম বাথরুমে ডুকিয়া হারপিক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে, বাড়ির লোকজন, স্বজন'রা টের পেয়ে বাথরুমে দরজা ভেঙ্গে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করিয়া রুনা বেগমের পিত্রালয়ের লোকজন জানান এবং উভয় পরিবার সম্মিলিত ভাবে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করান |
অতপর উভয় পক্ষের মুরভীয়ান গণ ও ইউপি সদস্যদের সিদ্ধান্ত মতে প্রবাসী আবুল কালাম পরিবারে নিরাপত্তার বিষয়টা বিবেচনা করে রুনা বেগমকে তার পিত্রালয়ে রাখেন |
পরকীয়া প্রেমিক আরিফ মাহমুদ সজিব মিয়া রুনা বেগমকে পুর্ণরায় এমএজি ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করে প্রবাসী আবুল কালামের পরিবারের বিরুদ্ধে নারী নিযার্তন মামলা করার প্রস্তুুতি নেয়,
সংবাদ পেয়ে প্রবাসী আবুল কালাম এর ছোট ভাই মিফতার হোসেন সিলেট শাহপরান (রহঃ) ১মে ২০২৫ইং তারিখে ৩০নং সাধারণ ডায়েরি করেন |
পরবর্তীতে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে আবুল কালাম বাহরাইন থেকে দেশে এসে স্ত্রী রুনা বেগম শশুড় বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আনেন ,
কিন্তু রুনা বেগম তার পরকীয়া প্রেমিকের সহিত ফোন যোগাযোগ বহাল রাখে |
এবং স্বামী ছাড়া একা একা বার-বার পুর্বের ন্যায় পিত্রালয় যাওয়া আসা করে,
বিগত ১৮ এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখে সকাল ৯ ঘটিকার সময় রুনা বেগম পিত্রালয়ে যেতে চাইলে স্বামী আবুল কালাম নিষেধ বাধা দেন এবং স্ত্রী রুনা বেগমকে উদ্দেশ্য করে বলেন পিত্রালয়ে যেতে চাইলে আমি তোমাকে নিয়ে যাব, আমার সাথে যাওয়া আসা করতে হবে |
এভাবে স্ত্রী রুনা বেগমকে শাসন করে বাড়ির নিকটবর্তী আটগাঁও পীরের বাজারে চলে যান প্রবাসী আবুল কালাম |
এই সুযোগে রুনা বেগম তার পরকীয়া প্রেমিক আরিফ মাহমুদ সজিব মিয়াকে সম্পূর্ণ বিষয় অবগত করে | প্রবাসী আবুল কালাম বাজারে থাকা অবস্থায় পরকীয়া প্রেমিক আরিফ মাহমুদ সজিব মিয়া এবং তার খালাতো ভাই অর্থাৎ রুনা বেগমের ভাই তোফাজ্জল (১৯), ইমরান আহমেদ (২২), আনোয়ার আহমদ (৩৩), দেলোয়ার আহমদ (৩৫), খাদিম কল্লগ্রাম গরিদিপাড়ার রায়হান হোসেন অপু(২৩), দুলাল মিয়া (৪৫),কে নিয়ে ঐদিন অর্থাৎ ১৮ এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখে দুপুর ১২ ঘটিকার সময় প্রবাসী আবুল কালাম এর বসত বাড়িতে অনাদিকার ভাবে প্রবেশ করে, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে চিৎকার করে , তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ চিৎকার শুনিয়া আশপাশের লোকজন উপস্থিত হন, এসময় প্রবাসী আবুল কালাম বাড়ি আসা মাত্র স্ত্রী রুনা বেগম ঘরে দরজা খুলে দিলে আরিফ মাহমুদ সজিব মিয়া গণ'রা ঘরে ভিতর অবৈধ ভাবে প্রবেশ করে,
প্রবাসী আবুল কালাম তখন আরিফ মাহমুদ সজিব মিয়া গণকে জিজ্ঞাসা করেন -কেন, কোন কারণে আমার বাড়িতে এসেছেন, তৎক্ষণিক সময় রাগান্বিত হয়ে সকলের সামনে আরিফ মাহমুদ সজিব মিয়া বলেন তর বিয়ের পুর্ব থেকে রুনা বেগমের সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক সে আমার মৌখিক বিবাহিত স্ত্রী তাকে আমার সাথে দেখা করতে দেছনা, যোগাযোগ করতে দেছনা, শালার বেটা আজ আমি তাকে নিয়ে যাবো এই বলে সকলের সামনে প্রবাসী আবুল কালামকে জিম্মি করে, সোকেশ, ওয়ার্ডড্রপ, ভাংচুর, স্বর্ল -অলংকার নগদ অর্থ ল্যাপটপ বিদেশি কমল ও মোবাইল সহ অন্যান্য জিনিসপত্র, নিয়ে যায়|
ওদের সাথে রুনা বেগম চলে যায় |
পরবর্তীতে আরিফ মাহমুদ সজিব মিয়া গণ সুপরিকল্পিতভাবে রুনা বেগম ও আনোয়ার আহমদ এর শরিলে জখমের আলামত তৈরি করে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে ১/২ দিন চিকিৎসা
নামমাত্র গ্রহন করে, আরিফ মাহমুদ সজিব মিয়ার কু-পরামর্শে প্রবাসী আবুল কালাম এরনিকট রুনা বেগমের ভাই ইমরান আহমেদ বোনের বিয়ের কাবিনের টাকা দাবি করেন, উক্ত কাবিনের টাকা না দেওয়াতে আরিফ মাহমুদ সজিব মিয়ার পরামর্শে ও সহযোগিতায় রুনা বেগম এর ভাই ইমরান আহমেদ বাদী হয়ে এবং প্রবাসী আবুল কালাম, ওতার মা জয়তুরী, বিবাহিত বোন আমিনা বেগম, ফুফাতো ভাই শরীফ, অজ্ঞাত ব্যক্তি মিজান, সদ্যপ্রবাস থেকে আগত চাচাতো ভাই শাহীন গণকে আসমী করে সিলেট শাহপরান (রহঃ) থানায় অর্থের বিনিময় মামলা নং -৯ তারিখ ২০/০৪/২০২৬ ইং দায়ের করেন, যাহা শাহপরান জি আর মামলা নং ৯৫/২০২৬ইং দায়ের করেন |
ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় প্রবাসী আবুল কালাম প্রকৃত ঘটনা উল্লেখ করে প্রথমে সিলেট শাহপরান (রহঃ) থানায় মামলা করিতে গেলে থানা কতৃপক্ষ প্রবাসী আবুল কালামকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন,
পরবর্তীতে প্রবাসী আবুল কালাম বাদী হয়ে তারস্ত্রী রুনা বেগম, আরিফ মাহমুদ সজিব মিয়া, তোফাজ্জল আহমদ, ইমরান আহমদ, দেলোয়ার আহমদ, রায়হান হোসেন অপু, দুলাল মিয়া গণের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালত সিলেটে শাহপরান (রহঃ) সি,আর, মামলা নং ১৫৭/২০২৬ ইং দায়ের করেন |
সরজমিনে গিয়ে জানা যায় উভয় মামলা তদন্তধীন রয়েছে,
এবং আসামী কয়েক জন জামিনে আছে, এলাকাবাসী আরিফ মাহমুদ সজিব মিয়ার সহিত রুনা বেগম এর পরকীয়া এবং ইমরান আহমেদ এর দায়ের কৃত মিথ্যা বানোয়াট মামলার তীব্র নিন্দা জানান ও প্রবাসী আবুল কালাম সহ তার পরিবারের লোক জনের ন্যায় বিচার পাওয়ার জোর দাবি জানান |