নিজস্ব প্রতিবেদক,
সম্প্রতি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের শৈলখালী গ্রামের শহিদুল বরকন্দাজের পুত্র ইয়াসিনের বিরুদ্ধে মাদক সাম্রাজ্য গড়ে তোলার যে সংবাদটি প্রচার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রমাণিত হয়েছে। স্থানীয় একটি কুচক্রী মহল সাংবাদিকদের ভুল তথ্য সরবরাহ করে ইয়াসিনকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই মিথ্যা সংবাদটি পরিবেশন করেছিল।
ঘটনাটি শ্যামনগর উপজেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক আরমান মজুমদারের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সত্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে তিনি দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত (ডিএসডি) টিভির সম্পাদকের সাথে আলোচনা করেন। পরবর্তীতে সম্পাদকের নির্দেশে একটি অভিজ্ঞ সাংবাদিক প্রতিনিধি দল সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা করে।
তদন্তকারী দলের প্রতিবেদনে যা পাওয়া গেছে
কোনো প্রমাণ নেই, ইয়াসিনের মাদক আমদানিতে লিপ্ত থাকা বা কোনো নেটওয়ার্কের সাথে জড়িত থাকার বিন্দুমাত্র সত্যতা মেলেনি।
সাজানো নাটক,এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ব্যক্তিগত শত্রুতার জের ধরে কিছু অসাধু ব্যক্তি ইয়াসিনকে ফাঁসাতে এবং তাকে এলাকা ছাড়া করতে প্রশাসনের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে।
সামাজিক সম্মানহানি ইয়াসিনের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বরং তাকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা করতেই এই "মাদক সাম্রাজ্য" এর গল্প সাজানো হয়েছিল।
তদন্ত শেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা আরমান মজুমদার বলেন
"আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করছি, কিন্তু কাউকে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। ইয়াসিন সম্পূর্ণ নির্দোষ এবং তাকে মিথ্যাভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আমরা এই ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাই এবং প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।"
তদন্ত পরবর্তী এই প্রতিবেদনে স্পষ্ট জানানো যাচ্ছে যে, ইয়াসিন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত নন। পূর্বের প্রকাশিত সংবাদটির কোনো ভিত্তি নেই এবং অভিযুক্তের ওপর কোনো দোষ নেই। যারা সাংবাদিক ও প্রশাসনকে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।