মোঃ খায়রুল ইসলাম রংপুর বিভাগীয় প্রধান
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার পৌর শহরের চাঁদনী হলের পূর্ব পাশে অবস্থিত একটি দোকানকে কেন্দ্র করে মনি আক্তার ও তার স্বামী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও অর্থ আদায়ের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত (২-৬-২৬ ইং রোজ মঙ্গলবার) এই নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মোঃ বাদল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, তিনি একজন শান্ত ও সহজ-সরল স্বভাবের মানুষ। ব্যবসায়িক লেনদেন ও বাকির বিষয়কে কেন্দ্র করে মনি আক্তার ও তার স্বামী বেলাল হোসেনের সঙ্গে তার বিরোধের সূত্রপাত হয়।
ভুক্তভোগী বাদল হোসেনের অভিযোগ, বিরোধের জের ধরে তার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ওই মামলায় আসামি হয়ে তাকে ১৬ দিন কারাগারে থাকতে হয়। তিনি দাবি করেন, মামলাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক।
এছাড়াও তিনি অভিযোগ করেন, দোকানের আশপাশে অবস্থান করলে মনি আক্তার বিভিন্ন সময় তাকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং নানাভাবে মানসিকভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করেন। ভুক্তভোগী বাদল আলী এই নিয়ে আদালতে একটি -৭ ধারা মামলাও করেছেন তারপরও দোকানে এসে নানা রকম হুমকি ধুমকি প্রদান করেন মনি আক্তার ও তার স্বামী বেলাল হোসেন ও জাহাঙ্গীর আলম
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মনি আক্তার ও তার স্বামী বেলাল হোসেন বলেন, “আমাদেরকে বিভিন্ন ভাষায় গালাগালি করা হয়েছে এবং মারধরও করা হয়েছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দেয়। পরে রাণীশংকৈল থানার এসআই শফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।”
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা ধরনের আলোচনা চলছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।
এলাকাবাসীর মতে, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে—এমনটাই তাদের প্রত্যাশা।