কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি
খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১২ নং বাগালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির (এসএমসি) আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। আগামী ২১ জুন ২০২৬, রোজ রবিবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন স্থানীয় বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী মোঃ শাহিনুর ইসলাম (শাহিন)। 'ফুটবল' প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে থাকা এই প্রার্থীকে ঘিরে সাধারণ ভোটার ও অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
স্থানীয় ভোটার ও শিক্ষানুরাগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মোঃ শাহিনুর ইসলাম (শাহিন) ওই এলাকার সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব মোঃ জিকাউল ইসলাম সানার সুযোগ্য মেজো ছেলে। একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় তার সুপরিচিতি রয়েছে। এবার বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং একটি আধুনিক ও শিশুবান্ধব শিক্ষাদানের পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে তিনি অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
সরেজমিনে অনুসন্ধান ও স্থানীয় অভিভাবকদের মতামতে জানা গেছে, মোঃ শাহিনুর ইসলাম শাহিন ব্যক্তিজীবনে সৎ ও কর্মঠ হওয়ার কারণে বিদ্যালয়ের উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে মনে করছেন অনেকেই। একাধিক সাধারণ অভিভাবক জানান, "বাগালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত ও একাডেমিক অগ্রগতির জন্য একজন নিবেদিতপ্রাণ এবং স্বচ্ছ মানসিকতার মানুষের প্রয়োজন। শাহিনুর ইসলাম সেই যোগ্যতার প্রমাণ দিতে পারবেন বলেই আমাদের বিশ্বাস। ফুটবল মার্কায় তাকে জয়যুক্ত করলে স্কুলের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।"
নিজের নির্বাচনী পরিকল্পনা ও প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রার্থী মোঃ শাহিনুর ইসলাম (শাহিন) বলেন, "আমি অবহেলিত বা প্রচারের জন্য নির্বাচনে আসিনি। এই বিদ্যালয়টি আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ার কারিগর। নির্বাচিত হতে পারলে আমি অভিভাবকদের অধিকার রক্ষা, বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাল ক্লাসরুমের সুফল নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে কাজ করব। আমি সর্বস্তরের অভিভাবক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিকট মূল্যবান ভোট ও আন্তরিক দোয়া প্রত্যাশা করছি।"
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির তথ্যানুযায়ী, আগামী ২১ জুন (রবিবার) সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণের জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। বিদ্যালয়টির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে অভিভাবকেরা একজন সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকেই বেছে নেবেন—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহলের।