এস. এম নাসির উদ্দীন, কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা), প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ–আশাশুনি) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. শহিদুল আলমের পক্ষে ফুটবল প্রতীকে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার বিকেলে কালিগঞ্জের সোহরাওয়ার্দী পার্কে অনুষ্ঠিত শেষ নির্বাচনী জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সব ধর্ম ও শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে স্পষ্ট হয়ে ওঠে সর্বদলীয় ঐক্যের বার্তা।
বক্তারা বলেন, দীর্ঘ প্রায় তিন দশক রাজনীতিতে নানা নির্যাতন, মামলা ও বহিষ্কারের শিকার হলেও ডা. শহিদুল আলম সাধারণ মানুষের আস্থা হারাননি। বরং জনগণই তাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সামনে এনেছে। গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে থাকা এই চিকিৎসককে তারা “গরিবের বন্ধু” হিসেবে অভিহিত করেন।
জনসভায় বক্তারা জানান, আগামী বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি ফুটবল প্রতীকে ভোট দিয়ে ডা. শহিদুল আলমকে বিজয়ী করে ঘরে ফিরতে চায় কালিগঞ্জ-আশাশুনির মানুষ। তাকে বিজয়ী করতে সর্বদলীয় ঐক্যজোট মাঠে নেমেছে, যার বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেছে এই বিশাল জনসভায়।
সমাবেশে মুসলমানদের পাশাপাশি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। একই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা মঞ্চে উঠে ফুটবল প্রতীককে বিজয়ী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
এরই মধ্যে মাইনরিটি জনতা পার্টির প্রার্থী রুবেল হোসেন তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে ডা. শহিদুল আলমের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেন। বক্তারা জানান, তার পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় বিএনপি থেকে প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে এতে জনসমর্থন কমেনি; বরং ফুটবল প্রতীকের পক্ষে জোয়ার আরও বিস্তৃত হয়েছে।
প্রধান বক্তার বক্তব্য, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ শাহাদাত হোসেন বলেন, “ন্যায়, সত্য ও সৎ ব্যক্তিকে বিজয়ী করতেই আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি।”
সভার সংক্ষিপ্ত বিবরণ, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত এই জনসভায় সভাপতিত্ব করেন কালিগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান খান লতিফুর রহমান বাবলু। সঞ্চালনা করেন বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম।