রবিউল ইসলাম: তালা প্রতিনিধি
কাগজে-কলমে শিক্ষার্থী ও পাঠদান চালু থাকলেও বাস্তবে সেই মাদ্রাসার স্থানে রয়েছে পেঁপে, বেগুন আর ঢ্যাঁড়শের চাষ। সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার ঘোনা নারায়ণপুর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার অস্তিত্ব বিলীন হয়েছে প্রায় ১৫ বছর আগে। অথচ এই ভূতুড়ে প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে প্রতি বছর উত্তোলন করা হচ্ছে সরকারি বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য শত শত সেট বই। সম্প্রতি জালিয়াতির মাধ্যমে বই উত্তোলনের এ ঘটনাটি প্রকাশ্যে এলে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৮২ সালে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত ও পরবর্তীতে রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে নন-এমপিও থাকা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী শূন্যতার কারণে একপর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মোঃ আশরাফুল মোড়ল পাঠদান চালু আছে দেখিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রতি বছর ১ম থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত ১০০ থেকে ১৫০ সেট বই উত্তোলন করে আসছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ গোলাম মোস্তফা, মোঃ রমজান আলী বিশ্বাস ও মোঃ হাসান অভিযোগ করে জানান, প্রায় ৫-৬ বছর আগেও মাদ্রাসা প্রধান একইভাবে সরকারি বই উত্তোলন করে ভাঙড়ির দোকানে কেজি দরে বিক্রি করার সময় তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে হাতেনাতে ধরা পড়েন। চলতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষেও তিনি ১৫০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে মর্মে ভুয়া তথ্য দিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে পুনরায় বই উত্তোলন করেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যেখানে মাদ্রাসার কক্ষ বা ভবন থাকার কথা, সেখানে এখন শোভা পাচ্ছে ৭টি পেঁপে গাছসহ বেগুন, ঢ্যাঁড়শ ও মরিচের গাছ। ক্লাসরুম বা শিক্ষার্থীর কোনো অস্তিত্বই সেখানে নেই। স্থানীয়দের �
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ মেহেদী হাসান,মোবাইল-০১৭৪৫-০৫৪৯৯৮
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত