নজরুল ইসলাম খোকন, টেকনাফ
কক্সবাজারের টেকনাফে র্যাব-১৫ এর বিশেষ চিরুনি অভিযানে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ৪টি বিলাসবহুল মোটরসাইকেলসহ এক শীর্ষ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) নিয়মিতভাবে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১৫, সিপিসি-২ (হোয়াইক্যং ক্যাম্প) এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাটাখালী এলাকায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে কয়েকজন মাদক কারবারি অবস্থান করছে।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (২১ জুন) রাত আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটে কাটাখালী এলাকার ছৈয়দ নুরের দোকানের সামনে পাকা সড়কে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে র্যাব। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা পালানোর চেষ্টা করলে অভিযানকারী দল চারদিক থেকে এলাকা ঘিরে ফেলে। একপর্যায়ে একজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি আবসার মিয়া (২০)। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাটাখালী পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম নুরুল আলম এবং মাতার নাম আমেনা খাতুন।
অভিযানকালে আবসার মিয়ার হেফাজত থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ৪টি বিলাসবহুল মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে টেকনাফ ও কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ ও পাচার করে আসছিল বলে স্বীকার করেছে।
র্যাব-১৫ এর এক কর্মকর্তা জানান, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান ও কারবার নির্মূলে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
গ্রেফতারকৃত আসামি, উদ্ধারকৃত ইয়াবা এবং জব্দকৃত মোটরসাইকেলসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।